১৭ বছরের অবসান: বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের শপথ গ্রহণ


 

​​১৭ বছরের অবসান: বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের শপথ গ্রহণ

​ঢাকা | ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ এক ঐতিহাসিক রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সাক্ষী হলো বাংলাদেশ। দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসন এবং রাজনৈতিক চড়াই-উতরাই পেরিয়ে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমান।

​মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে বঙ্গভবনের দরবার হলে আয়োজিত এক জমকালো অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাকে শপথ বাক্য পাঠ করান। অনুষ্ঠানে বিদায়ী অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ দেশের শীর্ষস্থানীয় রাজনীতিবিদ, সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তা এবং বিদেশি কূটনীতিকরা উপস্থিত ছিলেন।

​মন্ত্রিসভায় বড় চমক ও "মামা-ভাগ্নে" ইস্যু

​শপথ অনুষ্ঠানের পর পরই নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের নাম ঘোষণা করা হয়। এবারের মন্ত্রিসভায় সবচেয়ে বড় ভাইরাল টপিক ছিল "মামা ও ভাগ্নে"র একসঙ্গে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পাওয়া। রাজনৈতিক মহলে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা ও কৌতূহল তৈরি হয়েছে। ২৫ জন পূর্ণমন্ত্রী এবং ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী নিয়ে গঠিত এই বিশাল মন্ত্রিসভায় অভিজ্ঞদের পাশাপাশি তরুণ মুখদেরও প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে।

​বিদায় নিলেন ড. ইউনূস

​শপথ গ্রহণের আগে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস জাতির উদ্দেশ্যে তার বিদায়ী ভাষণ দেন। ১৮ মাসের সফল সংস্কার ও একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তরের জন্য তাকে অভিনন্দন জানান নতুন প্রধানমন্ত্রী।

​জনতার উচ্ছ্বাস

​তারেক রহমানের শপথ গ্রহণকে কেন্দ্র করে নয়াপল্টন থেকে শুরু করে সারা দেশের রাজপথে আনন্দ মিছিল বের করেন নেতাকর্মীরা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও দিনভর ট্রেন্ডিংয়ে ছিল #TarekRahman এবং #NewGovernment2026।

​নতুন প্রধানমন্ত্রীর সামনে এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ এবং অর্থনৈতিক সংস্কার। সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, নতুন সরকার অতি দ্রুত দেশের আইনশৃঙ্খলা ও বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে কার্যকর পদক্ষেপ নেবে।

ঢাকা | ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ এক ঐতিহাসিক রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সাক্ষী হলো বাংলাদেশ। দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসন এবং রাজনৈতিক চড়াই-উতরাই পেরিয়ে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমান

​মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে বঙ্গভবনের দরবার হলে আয়োজিত এক জমকালো অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাকে শপথ বাক্য পাঠ করান। অনুষ্ঠানে বিদায়ী অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ দেশের শীর্ষস্থানীয় রাজনীতিবিদ, সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তা এবং বিদেশি কূটনীতিকরা উপস্থিত ছিলেন।

​মন্ত্রিসভায় বড় চমক ও "মামা-ভাগ্নে" ইস্যু

​শপথ অনুষ্ঠানের পর পরই নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের নাম ঘোষণা করা হয়। এবারের মন্ত্রিসভায় সবচেয়ে বড় ভাইরাল টপিক ছিল "মামা ও ভাগ্নে"র একসঙ্গে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পাওয়া। রাজনৈতিক মহলে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা ও কৌতূহল তৈরি হয়েছে। ২৫ জন পূর্ণমন্ত্রী এবং ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী নিয়ে গঠিত এই বিশাল মন্ত্রিসভায় অভিজ্ঞদের পাশাপাশি তরুণ মুখদেরও প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে।

​বিদায় নিলেন ড. ইউনূস

​শপথ গ্রহণের আগে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস জাতির উদ্দেশ্যে তার বিদায়ী ভাষণ দেন। ১৮ মাসের সফল সংস্কার ও একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তরের জন্য তাকে অভিনন্দন জানান নতুন প্রধানমন্ত্রী।

​জনতার উচ্ছ্বাস

​তারেক রহমানের শপথ গ্রহণকে কেন্দ্র করে নয়াপল্টন থেকে শুরু করে সারা দেশের রাজপথে আনন্দ মিছিল বের করেন নেতাকর্মীরা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও দিনভর ট্রেন্ডিংয়ে ছিল #TarekRahman এবং #NewGovernment2026।

​নতুন প্রধানমন্ত্রীর সামনে এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ এবং অর্থনৈতিক সংস্কার। সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, নতুন সরকার অতি দ্রুত দেশের আইনশৃঙ্খলা ও বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে কার্যকর পদক্ষেপ নেবে।

Post a Comment

Previous Post Next Post